Breaking News
Home / জানা-অজানা / অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার। রাজধানী সহ সারাদেশে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগ। অতি ছোঁয়াচে এ রোগ সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে শিক্ষার্থীদের জন্য। বিশেষত স্কুলপড়ুয়া খুদে শিক্ষার্থীদের জন্য। এরই মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চোখ ওঠা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্লাসের একজনের চোখ উঠলে তা দ্রুত অন্যদের মাঝে ছড়াচ্ছে। এ অবস্থায় কিছু স্কুল সাময়িক বন্ধও রাখা হচ্ছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংক্রমণ কমাতেই স্কুল বন্ধ বা আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে বাসায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত হচ্ছে।

 

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

ডা. মো. ছায়েদুল হক, চক্ষুবিশেষজ্ঞ, সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল বলেন, কারও চোখ উঠলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে আইসোলেশন (আলাদা রাখা) করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত আলাদা রাখা যাবে তত ভালো। এতে অন্যদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে। তবে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মতো দরজা-জানালা বন্ধ রাখার প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকা ভালো। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস বা একই বাথরুম ব্যবহার না করাও ভালো। চোখের পানি বা বাতাসে এ ভাইরাস ছড়াতে পারে। কোনো শিক্ষার্থী আক্রান্ত হলে অন্তত সাতদিন স্কুলে যাওয়া যাবে না। দেশে প্রতি বছরই চোখ ওঠার সংক্রমণ কম-বেশি হয়।

‘চোখ ওঠা’ রোগীদের বিদেশ ভ্রমণ না করার অনুরোধ

উল্লেখ, মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য বিভাগে প্রতিদিন চোখ ওঠা আক্রান্ত বহির্গামী যাত্রী দেখা যাচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে যাত্রীদের সুবিধার্থে বিদেশগামীদের চোখ ওঠার লক্ষণ প্রকাশের সাতদিনের মধ্যে সম্ভব হলে বিদেশ ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

চোখ ওঠা রোগের উপসর্গ

  • বেশির ভাগ সময় দুই চোখ লাল হতে দেখা যায়। তবে এক চোখেও হতে পারে।
  • চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, ঘুম থেকে উঠলে অনেক সময় চোখের পাতা লেগে থাকতে দেখা যায় এবং চোখ থেকে পানি ঝরে।
  • চোখ জ্বালাপোড়া করে।
  • চোখে খচখচ ভাব, অস্বস্তি হয়।
  • হালকা ব্যথা ও ফটোফোবিয়া বা রোদে তাকাতে অসুবিধা হতে পারে।

চোখ ওঠা রোগের চিকিৎসা

সাধারণ চোখ ওঠা এক থেকে তিন সপ্তাহে সেরে যায়। চোখ উঠলে যা করবেন—

  • ঠান্ডা বা সর্দির মতো উপসর্গ থাকলে কেবল অ্যান্টিহিস্টামিন সেবনই যথেষ্ট।
  • অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ডোজ মেনে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ ব্যবহার না করাই উত্তম।

চোখ ওঠা রোগের সতর্কতা

  • চোখে পিঁচুটি জমলে হালকা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে বা পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে কোনোমতেই চোখ রগড়ানো যাবে না।
  • কালো চশমা রোদে বা আলোতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়। তাই বাইরে বেরোলে কালো চশমা পরুন।
  • চোখে কোনোমতেই হাত দেওয়া যাবে না।
  • একজনের ব্যবহার করা রুমাল, গামছা, তোয়ালে বা কাপড়চোপড় অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না।
  • হাত সব সময় সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

চোখ ওঠা রোগে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

চক্ষু উঠলে এপিস মেল এর অন্যতম লক্ষন স্ফীতি / চামড়ার চুলকানিযুক্ত ফোলা/অ্যালার্জি । চোখের চারপাশে ফুলে যাওয়ার ফলে চোখের পাতা খুলতে পারে না।দুটি চক্ষুই উঠেছে। চক্ষু রক্তবর্ণ টনটন ঝনঝন করকর করছে, পিচুটিতে চোখ দুটি জুড়ে যাচ্ছে। সিফিলিনাম ২টি ডােজ দিয়ে আর্জেন্ট নাই ২০০।আর যে সকল রোগে রক্তজমা ও মুখচোখ লালবর্ন হয় সেইসব রোগের ঔষধ হিসেবে বেলেডোনা ব্যবহার হয়। চোখ ওঠা, সাথে ব্যাথা, আলো বা রোদ সহ্য করতে পারে না, – বেলেডোনা ৩। চোখ থেকে অনেকসময় অ্যাসিডিক কিছু বা ঝাঁঝালো কিছু নির্গমণ হয়,যার ফলে চোখে জ্বালা করে, প্রদাহ হয়, চোখ দিয়ে জল বের হয়। এইরকম হলে ইউফ্র্যাসিয়া নামক হোমিওপ্যথিক ওষুধটি ব্যবহৃত হয়।যখন চোখ দিয়ে একটা হলুদ মতন পাতলা স্রাব বের হয়, চোখে জ্বালা করে এবং চুল্কায়, চোখের পাতাগুলো মনে হয় দানা বেঁধে আছে, তখন পালসাটিলা নামক হোমিওপ্যাথিক ওষুধটি ব্যবহার করতে হবে। সহ আরো অনেক ঔষুধ লক্ষণের উপর আসতে পারে, তাই ঔষধ নিজে নিজে ব্যবহার না করে অভিজ্ঞ হোমিওচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

জনসমাগম, অনুষ্ঠান, ক্লাস ইত্যাদি পরিহার করে চলাই ভালো। এ সময়টায় অনেক শিক্ষার্থীর ক্লাস চলছে। চোখ ওঠা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিত না হওয়াই ভালো। তবে পরীক্ষা থাকলে ওপরের নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে স্কুলে যাওয়া যাবে। অবশ্যই কালো চশমা পরে থাকতে হবে এবং অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করা যাবে না।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, এই রোগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অবহেলা করলে অনেক সময় অবস্থার অবনতি হতে পারে। কর্ণিয়ার ক্ষতি হতে পারে।

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার পোস্ট ভিজিট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো দিয়ে রাখুন। শহুরে সাথেই থাকুন। কমেন্টে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। সকলের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

যোগাযোগঃ 

আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন

অবহিত করুন: bn.shahure.com

ই-মেইল: shahure.com@gmail.com

যোগাযোগ: 01320652739

মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

About Ambia Akter Sadia

hey! My Name is Ambia Akter. My Nickname Sadia. I am very simple and general. 3+ years experience- White Hat SEO (On-page & Off-page optimization), SMM- Social Media Marketing, Website Design & Development, WordPress Design, Customization, and Development. I am working as a blogger and Content Writer for the last 3 Years. I am very happy with my profession. Doing Something new is my passion. I always love traveling. I hope you are enjoying this article. Thanks for visiting this website.

Check Also

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে?

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে?

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে? এনার্জিটিক থাকা যায়, অলসতা আসবে না. সঠিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.