Breaking News
Home / জানা-অজানা / শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে?

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে?

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে? এনার্জিটিক থাকা যায়, অলসতা আসবে না. সঠিক লাইফ-স্টাইলের কোন গাইডলাইন। প্রায় সবার মনে এই ধরনের প্রশ্ন সব সময় আসে। এই সকল প্রশ্নের জবাবে Muhammad Shu’aib Shahriar নামের ভাইয়ের কিছু কথা হুবহু নিচে তুলে ধরা হলোঃ

 

শারীরিক ও মানসিক ভাবে একটিভ থাকা যায় কিভাবে?

১. খাবারের মধ্যে starch জাতীয় খাদ্য উপাদান আছে এমন জিনিসের পরিমাণ মোট খাবারের ২৫% এ সীমিত করুন।

২. উচ্চ পরিমাণে soluble fiber আছে এমন খাবারের পরিমাণ যথেষ্ট বৃদ্ধি করুন। খাবারের ২০-২৫% এরকম খাদ্য রাখুন।

৩. প্রোটিন মাঝারি রাখবেন। প্রাণীজ প্রোটিনের চেয়ে ভেষজ প্রোটিন বেশি খান।

৪. resistant starch জাতীয় খাবার বৃদ্ধি করুন।

৫. সরল শর্করা অর্থাৎ simple carb গুলো একদম বাদ দিন। complex carb গ্রহণ করুন।

৬. রান্নার তেলের পরিমাণ সীমিত করুন। অনেকক্ষণ ধরে তাপ দেয়া হয় এমন তেলে যেসকল খাবার তৈরি হয় সেগুলো একদম বাদ দিন। deep fry বাদ দিন। মনে রাখবেন তেলের উপর যখন তাপ দেয়া হয় তখন সেটা আর ভালো জিনিস থাকে না। ক্রমেই বিষাক্ত হতে থাকে। যত বেশি তাপ তত বিষাক্ত।

৭. এই বিষয়গুলো মেনে চলার ৩-৪ মাসের পর রাত আর দিনের পার্থক্য বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
আর ডিপ্রেশন থাকলে সেটার চিকিৎসা করতে হবে। সাইকিয়াট্রিস্ট এর অধীনেই। ডিপ্রেশন চিকিৎসা ছাড়া যায় না। আর দশটা অসুখের মতোই এটাও চিকিৎসায় সারে – এটাই নিয়ম।

বিবিসির মতে আটটা উপায় একজন মানুষ সুন্দর জীবন যাপন করতে পারে। সারাদিন সকল কাজে এনার্জি পাবে এই আটটি উপায় ফলো করলে। বিস্তারিত দেওয়া হলোঃ

বিবিসির গবেষণাকৃত আটটা উপায়

১। প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম করুন।

টিপস: শরীর চর্চার পাশাপাশি নতুন জায়গায় বেড়াতে যান, নতুন ধরনের কাজ শুরু করুন। অথবা নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে কাজ করুন।

যেমন, যদি আপনার শখ হয় বাগান করা, তাহলে আরো কিছু বন্ধুকে সাথে নিয়ে বাগান করুন। পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়াতে ভাল লাগলে, সাথে যাওয়ার সঙ্গী খুঁজে বের করুন।

শুধু খেয়াল রাখবেন পুরো ব্যাপারটি যেন আপনি উপভোগ করতে পারেন। এতে মস্তিষ্কের ওপর ব্যায়ামের উপকারিতা বাড়ে।

২। পর্যাপ্ত পরিমাণ হাঁটাচলা করুন। বাগান করার মধ্য দিয়ে শরীরের ব্যায়াম হয়, তেমনি মনেরও ব্যায়াম হয়।

টিপস: এরপর কোন বক্তৃতা বা প্রেজেন্টেশন মুখস্থ করতে হলে সেটা হেঁটে হেঁটে মুখস্থ করার চেষ্টা করুন।

কিংবা একটু বাইরে ঘুরে আসুন।

৩। সঠিক খাবার বেছে নিন। আপনার পাকস্থলী ঠিক মানে আপনার মগজও ঠিক।

টিপস: মস্তিষ্কের কোষ ফ্যাট অর্থাৎ স্নেহ পদার্থ দিয়ে তৈরি। তাই খাবার থেকে তেল-চর্বি একেবারে বিদায় না করাই ভাল।

বাদাম, তেলের বীজ, মাছ ইত্যাদি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে জন্য ভাল।

আর খাবার সময় একা একা না খাওয়াই ভাল। সবার সাথে বসে খাবার খেলে তা মস্তিষ্কের জন্য সুফল বয়ে আনে।

৪। খুঁজে নিন অবসর। পরিশ্রমের ফাঁকে ফাঁকে অবসর নেয়াও জরুরি।

টিপস: রিল্যাক্স করতে অসুবিধে হলে যোগব্যায়াম কিংবা মাইন্ডফুলনেস চর্চার সাহায্য নিতে পারেন।

এগুলো আপনার দেহের স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করবে।

৫। নতুন কিছু করুন। নতুন কিছু শেখার মধ্য দিয়ে মগজকে আরো সক্রিয় করে তুলুন।

ছবি আঁকা কিংবা বিদেশি ভাষা শিক্ষার মধ্য দিয়ে এটা করা সম্ভব।

টিপস: নিজে কিংবা বন্ধুদের সাথে নিয়ে অনলাইন গেমস খেলুন। শুধু নিজেকে চ্যালেঞ্জ করাই না, এর মধ্য দিয়ে অন্যদের সাথে সামাজিক যোগাযোগও বাড়বে।

৬। সুরের মাঝে লুকিয়ে আছে শক্তি। সুরের মাধ্যমে জেগে ওঠে মস্তিষ্ক। বাড়ে মেধা।

মস্তিষ্ক সঙ্গীতের স্মৃতি দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারে।

এটা ডিমেনশিয়ার মত মানসিক অবস্থা ঠেকাতে বেশ কার্যকরী।

টিপস: গানের দল বা কয়্যারে যোগ দিন। আপনার প্রিয় ব্যান্ডের গানের অনুষ্ঠান দেখতে যেতে পারেন।

৭। বিছানায় শুয়ে পরীক্ষার পড়া। বিছানার ওপর শুয়ে-বসে পড়ার সুফল রয়েছে।, বলছেন বিজ্ঞানীরা।

আপনি যখন ঘুমিয়ে পড়েন তখন সেই সংযোগ আরও জোরদার হয়। এবং যা শিখেছেন তা স্মৃতি হিসেবে জমা হয়।

এক পরীক্ষায় জানা যাচ্ছে, আপনি যদি শোবার আগে কাউকে একটা লিস্ট দিয়ে বলেন সেটা মুখস্থ করতে, তাহলে পরদিন সকালে সে সেটা খুব সহজেই মনে করতে পারবে।

টিপস: পরীক্ষার পড়ার সময় প্রশ্নের জবাবগুলো শোবার সময় মনে করার চেষ্টা করুন। এবং চেষ্টা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ুন।

৮। ঘুম যখন ভাঙল। দিনের শুরুর সাথে তাল মিলিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠুন।

ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। দৈনিক পাঁচ ঘণ্টার কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর ১০ ঘণ্টার বেশি ঘুম হলে মস্তিষ্ক সজাগ হওয়ার সময় পায় না।

কিন্তু দিনের পুরোটাকে ভালভাবে কাজে লাগানোর চাবিকাঠি লুকিয়ে রয়েছে কিভাবে আপনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন তার মধ্যে।
সবচেয়ে ভাল হয় ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘর অন্ধকার থাকলে, এবং প্রভাতে দিনের আলো বাড়ার সাথে সাথে জেগে উঠতে হয়।

সূর্যের কিরণ যখন আপনার বন্ধ চোখের পাতা ভেদ করে ঢুকে পড়ে, তখন সেটা মস্তিষ্ককে কর্টিসল হরমোন ছড়িয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে।

এর ফলে আপনি জেগে ওঠেন। তাই কী পরিমাণ কর্টিসল হরমোন আপনার দেহে ছড়িয়ে পড়ে, তার ওপর নির্ভর করবে দিনটা আপনার কেমন যাবে।

টিপস: এমন অ্যালার্ম ক্লক ব্যবহার করুন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে যার সুর ক্রমশই বাড়তে থাকে।

তবে যাদের ঘুম কুম্ভকর্ণের মতো তাদের প্রয়োজন জেলখানার পাগলা ঘণ্টির মতো অ্যালার্ম ক্লক!

পোস্ট ভিজিট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো দিয়ে রাখুন। শহুরে সাথেই থাকুন। কমেন্টে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। সকলের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

যোগাযোগঃ 

আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন

অবহিত করুন: bn.shahure.com

ই-মেইল: shahure.com@gmail.com

যোগাযোগ: 01320652739

মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

About Ambia Akter Sadia

hey! My Name is Ambia Akter. My Nickname Sadia. I am very simple and general. 3+ years experience- White Hat SEO (On-page & Off-page optimization), SMM- Social Media Marketing, Website Design & Development, WordPress Design, Customization, and Development. I am working as a blogger and Content Writer for the last 3 Years. I am very happy with my profession. Doing Something new is my passion. I always love traveling. I hope you are enjoying this article. Thanks for visiting this website.

Check Also

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

অতি ছোঁয়াচে রোগ ‘চোখ ওঠা’ লক্ষ্মণ ও প্রতিকার। রাজধানী সহ সারাদেশে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.